HyperHydrosis কি?ও প্রতীরোধে করনীয় উপায়

 Hyperhydrosis কি?


স্বাভাবিকের তুলনায় অতিরিক্ত ঘাম হওয়া।


★ যদিও এটি প্রাথমিক ভাবে শুধু শারিরীক অসুস্থ্যতা,তবে ধীরে ধীরে এটি মানসিক, সামাজিক জীবনেও প্রভাব ফেলে।


★ কোথায় কোথায় বেশি ঘামায়?

হাত ও পায়ের তালু,বোগল,মুখ,ঘাড় এবং পিঠ বেশি ঘামায়।


★ Hyperhydrosis কত প্রকার এবং কি কি?

Hyperhydrosis সাধারণত কোন একটি নির্দিষ্ট স্থানে বা সারা শরীর থেকে ঘাম হতে পারে।যদি একটি নির্দিষ্ট স্থানে হয় তাহলে সেটিকে বলে Localized Hyperhydrosis। যদি সারা শরীরে অতিরিক্ত ঘাম হয় তাকে বলে Generalized Hyperhydrosis.


★ Hyperhydrosis  এর কারন কি কি?

 Primary or Local Hyperhydrosis :

এটি বিভিন্ন কারনে হতে পারে।তবে অনেকে সিম্প্যাথেটিক স্নায়ুতন্ত্রের অধিক কার্যকরীতা কারনে এটি হয়।অতিরিক্ত নার্ভাস প্রকৃতির মানুষের এটি বেশি হয়।কিছু খাবার যেমনঃ অতিরিক্ত ঝাল, গরম খাবার ইত্যাদি হলে ঘাম বেশি হয়।এছাড়া চা,কফি,নিকোটিন,কিছু পানীয় ইত্যাদিতে হাইপার হাইড্রোসিস হতে পারে।

Secondary or Generalized hyperhydrosis:

কিছু মেডিসিন,কিছু ক্যান্সার,

কিছু জীবানু সংক্রমন এবংহরমোন জনিত জটিলতার কারনে এটি হতে দেখা যায়।


★ Medicine :

১)SSRI

২)কিছু ডিপ্রেশনের মেডিসিন

৩)NSAID বা ব্যথানাশক।

৪)ইনসুলিন।

৫) কিছু কোলিনার্জিক ড্রাগ।


★ অন্যন্যঃ

১) জ্বর জ্বর ভাব।

২)ভিগোরাস বা অতিরিক্ত ব্যায়াম।

৩)গরম এবং ভ্যাপসা আবহাওয়া।

৪) থাইরয়েড হরমোনের তারতম্য।

৫)ডায়াবেটিস।

৬) এক্রোমেগালি।

৭).পিটুইটারি গ্রন্থির বৃদ্ধি ইত্যাদি।

৮) অতিরিক্ত স্থুলতা।


★ ঘরোয়া ভাবে কি এর চিকিৎসা সম্ভব?

কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি রয়েছে Hyperhydrosis এর।যেমনঃ 

১)বেশি করে ঘর্ম বা Antiperspirants ব্যবহার করতে হবে।যেমনঃAluminium salt সমৃদ্ধ Antiperspirants.

আমাদের দেশে Dricare solution  নামে বাজারে কিনতে পাওয়া যায়।


২) Ionotoporesis:

হাত ও পায়ের অতিরিক্ত ঘামের (Hyperhidrosis) চিকিৎসার জন্য ১৯৬০ এর দশকে বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে Iontophoresis নামে একটি সফল চিকিৎসা পদ্ধতি পৃথিবীতে চালু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে দৈনিক একটি হাত করে দুই হাতে ২০ মিনিট করে ১০ থেকে ১৫ দিন চিকিৎসা নিলে ঘাম স্বাভাবিক হয়ে যায়। পবর্তীতে প্রতি দুই থেকে তিন মাস অন্তর দুই থেকে তিন দিন চিকিৎসা নিলে ঘাম স্বাভাবিক থাকে।এই পদ্ধতিতে ত্বকের ভিতরে ওষুধ সরবরাহ ক্রা হয় ভোল্টেজ পার্থক্যএর মাধ্যমে।ইলেক্ট্রফোরেসিস ও ইলেক্ট্র ওসমোসিসের মাধ্যমে ত্বকের মধ্য একটি বৈদ্যুতিক ফিল্ড তৈরি করা হয়।ফলে ত্বকের পানি ধরে রাখার ক্ষমতা বেড়ে যায়।


৩) Botolinum toxin injection:

এই ইঞ্জেকশন স্নায়তে সরাসরি দেয়া হয়।এটি অবশ্যই চিকিৎসক এর সরনাপন্ন হ্য্র দিতে হবে।


★এছাড়া কিছু হার্বাল পদ্ধতি রয়েছে।যেমনঃ

১) Sage tea ইউরোপের এটি অনেক জনপ্রিয় হাইপারহাইড্রোসিস এর চিকিৎসায়।


২) Baking soda ১/২ কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে দিনে ১ বার হাত ও পায়ের তলা ১/২ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখলে উপকার পাওয়া যায়।এরপর হাত শুকিয়ে নিতে হবে।


৩)কিছু খাবারে এলার্জি অতিরিক্ত ঘাম করতে পারে।যেমনঃ চকলেট,ডেইরি প্রোডাক্ট, টমেটো, চিনি ইত্যাদি। 


৪)Tactical

breathing:  > প্রথমে ৪ বার শ্বাস নিন এবং ছাড়ুন।

> এরপর ৪ সেকেন্ড শ্বাস ধরে রাখুন।

> এরপর আবার শ্বাস ছাড়ুন ৪ সেকেন্ড যাবত।

> এভাবে ২ থেকে ৩ বার করুন।দিনে ১ বার অত্যন্ত এটি চর্চা করতে পারেন।


৫)মেডিটেশন বা ধ্যানঃ

মেডিটেশন বা ধ্যান অনেক জনপ্রিয় পদ্ধতি টেনশান থেকে উতপাদন হওয়া হাউপারহাইড্রোসিসের জন্য।যেমনঃ Tensecdental meditation and mindfulness meditation.যারা আগ্রহী তাদের জন্য এই দুটি পদ্ধতির মেডিটেশন অনেক কার্যকরী।


ডাঃ আরিফুর রহমান 

চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ 

ডাঃ আজমল হাসপাতাল 

মিরপুর-৬ ঢাকা

Comments